খাতামান্নাবীঈন

مَا کَانَ مُحَمَّدٌ اَبَاۤ اَحَدٍ مِّنۡ رِّجَالِکُمۡ وَ لٰکِنۡ رَّسُوۡلَ اللّٰہِ وَ خَاتَمَ النَّبِیّٖنَ ؕ وَ کَانَ اللّٰہُ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمًا

অর্থ: মুহাম্মদ তোমাদের পুরুষদের কারো পিতা নয় কিন্তু সে আল্লাহর রসূল এবং নবীগণের মহর। আর আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বজ্ঞ। (সূরা আহযাব: ৪১)

হাদীস

মহানবী (সা۔) বলেছেন, “আমি নিশ্চয়ই তখনো আল্লাহর বান্দা ও খাতামান্ নবীঈন ছিলাম যখন আদম (আ.) কর্দমাক্ত অবস্থায় তার সৃষ্টির সূচনায় ছিলেন।

(মুসনদ আহমদ, হাদীস নম্বর: ১৭২৮০)

অমৃতবাণী

হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আ.) বলেছেন, আমার ধর্মমত হলো, হযরত রসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কে পৃথক করে এ পর্যন্ত আগমনকারী সমস্ত নবী একত্রিত হয়েও যদি সেই দায়িত্ব ও সংশোধনের কাজ সম্পাদন করতে চাইতেন যা মহানবী (সা.) সম্পাদন করে গেছেন, তাহলে তারা তা কখনই করতে পারতেন না।

হযরত মসীহ্‌ মওউদ (আ.) বলেছেন, আমার ধর্মমত হলো, হযরত রসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কে পৃথক করে এ পর্যন্ত আগমনকারী সমস্ত নবী একত্রিত হয়েও যদি সেই দায়িত্ব ও সংশোধনের কাজ সম্পাদন করতে চাইতেন যা মহানবী (সা.) সম্পাদন করে গেছেন, তাহলে তারা তা কখনই করতে পারতেন না। তাদেরকে সে অন্তর আর সে শক্তিই প্রদান করা হয়নি যা আমাদের নবী (সা.)-কে প্রদান করা হয়েছিল। যদি এ কথায় কেউ নবীদের বেআদবী মনে করে তবে সেই অজ্ঞের পক্ষ থেকে তা হবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা। আমি সমস্ত নবীদের প্রতি ভক্তি ও সম্মান প্রদর্শন করা আমার ঈমানের অঙ্গ মনে করি। কিন্তু সকল নবীর উপর হযরত নবী করীম (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্ব হলো আমার ঈমানের সবচাইতে বড় অঙ্গ, আর এ বিশ্বাস আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে। এই বিশ্বাসকে পরিত্যাগ করা আমার সাধ্যের বাইরে। দুর্ভাগা আর দৃষ্টি শক্তি বঞ্চিত বিরোধী যা ইচ্ছা বলূক। কিন্তু আমাদের নবী করীম (সা.) যে কাজ সম্পাদন করে গেছেন তা পৃথক পৃথকভাবে কিম্বা সম্মিলিতভাবে অন্য কারও দ্বারা সম্পাদিত হতে পারতো না। আর এটি আল্লাহ্‌ তা’লার অনুগ্রহ বিশেষ। যালিকা ফাযলুল্লাহে ইউতিহি মাইয়্যাশাউ। (মলফুযাত প্রথম খন্ড, ৪২০)