‘Voices for Peace’ অনুষ্ঠান হয়ে গেল ইউএস ক্যাপিটল হিলে


ফারান রাব্বানী, ইউএসএ প্রতিনিধি, আল্‌ হাকাম

৪ ডিসেম্বর ২০২৩-এ, জামা’ত-এ-আহমদীয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ‘Voices for Peace’ অনুষ্ঠান হয়।
মার্কিন কংগ্রেসে টম ল্যান্টোস হিউম্যান রাইটস কমিশনের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী রিপাবলিক ম্যাকগভর্ন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে কীভাবে কমিয়ে আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা করতে অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ এবং ধর্মীয় নেতাদের সাথে যোগ দেন।
মার্কিন কংগ্রেসের বিভিন্ন অফিসের কর্মচারী-সহ ১২৩ জনেরও বেশি লোক ঐতিহাসিক রেবার্ন ভবনে সময়োপযোগী, এই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় অংশ নিয়েছিল; যেখানে বক্তাদের মধ্যে ছিলেন রিপাবলিক ম্যাকগভর্ন, রাইস ইউনিভার্সিটির ডক্টর ক্রেগ কনসিডাইন এবং জামা’ত-এ-আহমদীয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশনারি-ইন-চার্জ আজহার হানিফ সাহেব। বিভিন্ন সাংবাদিক-সহ অন্যান্য বিশেষ অতিথিরাও প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন।
অনুষ্ঠানটির মুল আকর্ষণ ছিল হযরত মির্যা মসরূর আহমদ, খলীফাতুল মসীহ্‌ আল্‌ খামেস (আই.)-এর সাম্প্রতিক জুমুআর খুতবায় প্রদত্ত বাণী’র ভিডিও অংশ। তিনি বলেছিলেন:
“যে দ্রুততার সাথে যুদ্ধের পরিস্থিতি বাড়ছে এবং যে নীতিগুলি ইসরায়েল এবং বিশ্বের প্রধান সরকারগুলি গ্রহণ করছে তা বিশ্বযুদ্ধকে একটি আসন্ন বাস্তবতায় পরিণত করেছে।”
তিনি আরও বলেন “যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহস না পায়, ততক্ষণ তারা বিশ্বকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী। […] সুতরাং, প্রার্থনার পাশাপাশি, আপনার চারপাশে এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত যে, অন্যায়ের অবসান ঘটাতে হবে।”
ড. ক্রেগ কনসিডাইনও যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রধান প্রসিকিউটর করিম এ এ খান উপস্থিতদের জন্য একটি ভিডিও বার্তাও পাঠিয়েছিলেন।
সর্বশেষ বক্তা ছিলেন আজহার হানিফ সাহেব, যিনি পবিত্র কুরআন থেকে প্রজ্ঞা ও দিকনির্দেশনার কথা বলেন। তিনি হযরত খলীফাতুল মসীহ্‌ আল্‌ খামেস (আই.)-এর বাণীকেই পুনরায় তুলে ধরেন।
তিনি আরও যোগ করেন, “এই মুহূর্তে যারা সারা বিশ্বে শান্তির এই বার্তায় আওয়াজ দিচ্ছে তাদের সাথে আমরা জোটবদ্ধ। এবং আমরা সেই কণ্ঠস্বরগুলিকে সারা বিশ্বে প্রতিধ্বনিত করছি এই অত্যন্ত বিনীত সম্মেলন — ‘Voices for Peace’-এর মাধ্যমে”।

আল্‌ হাকাম (https://www.alhakam.org/voices-for-peace-event-held-on-us-capitol-hill/)