In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.
Love for All, Hatred for None.
গত ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ঈদ উপলক্ষ্যে বেনিনের কেন্দ্রীয় মিশন হাউস পূর্তোনভোতে একটি ঈদ মিলন পার্টির আয়োজন করা হয়। এতে দেশের রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং সামাজিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশাজীবির মানুষ যোগদান করেন। এ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মিশন হাউসকে বিভিন্ন রঙ-বেরঙের জামাতী ব্যানার ও পোষ্টার দ্বারা সজ্জিত করা হয়।
এ অনুষ্ঠানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি পুর্তোনভোর অতিরিক্ত মেয়র, বিভিন্ন সাংসদ এবং হল্যান্ড দূতাবাসের সচিব মহোদয়ও যোগদান করেন।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান আরম্ভ হয়। এরপর অর্ধ ঘন্টার একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়, যাতে জামাতে আহমদীয়া বেনিনের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সেবার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া হযরত ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাব, জামাতে আহমদীয়ার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য, খলীফাদের পরিচিতির পাশাপাশি বেনিনে জামাতের বিভিন্ন মসজিদ, হাসপাতাল, মিশন হাউস, হিউম্যানিটি ফার্ষ্ট এর সহায়তায় বিভিন্ন চিকিৎসা শিবির এবং প্রাকৃতিক দৃর্যোগ কবলিত মানুষের সহায়তায় জামাতের ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
আমন্ত্রিত অতিথিরা তাদের শুভেচ্ছা বক্তৃতায় জামাতের ধর্মীয় এবং মানব সেবামূলক কর্মকান্ডের ভূয়ষি প্রশংসা করেন। সবশেষে বেনিন জামাতের আমীর - মোহতরম রানা ফারুক আহমদ সাহেব তাঁর সমাপনী ভাষণে জামাতে আহমদীয়ার মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এবং ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাবের তাৎপর্য বর্ণনা করেন। দোয়ার মাধ্যমে এই মহতি অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
গত ১লা নভেম্বর, ২০০৯ জামাতে আহমদীয়া শ্রীলংকার বার্ষিক জলসা অত্যন্ত সফলতার সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলসার দিন প্রত্যুষে বাজামাত তাহাজ্জুদ নামায আদায় করা হয়। এদিন সকাল ৯ টায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি মোহতরম মওলানা মুহাম্মদ আইউব সাহেব জামাতের এবং জামাতের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জলসার কার্যক্রম আরম্ভ হয়। নযম পাঠের পর জামাতের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট সাহেব উদ্বোধনী ভাষণ প্রদান করেন। তিনি তাঁর ভাষণে জলসার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য বর্ণনা করেন।
এরপর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন: ‘মহানবী (সা.) এবং তৌহিদ প্রতিষ্ঠা’; ‘ইমাম মাহদীর আবির্ভাব’; ‘সাহাবাদের পবিত্র জীবনি’; ‘বর্তমান সমস্যাবলীর একমাত্র সমাধান হচ্ছে খিলাফত’; ‘খতমে নবুয়তের তাৎপর্য’ এবং ‘নিযামের আনুগত্য’ সম্পর্কে জামাতের আলেমগণ বক্তব্য প্রদান করেন।
ইজতেমায়ী দোয়ার মাধ্যমে এই মহতি জলসা সমাপ্ত হয়। উক্ত জলসায় শ্রীলংকার বিভিন্ন প্রান্ত হতে প্রায় বারো’শ পুরুষ ও নারী যোগদান করার সৌভাগ্য লাভ করেন।
পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিবার এই জলসায় বয়’আত করে আহমদীয়াত গ্রহণের সৌভাগ্য লাভ করেন বলেও জানা গেছে।
প্রাপ্ত সুত্রঃ কেন্দ্রীয় বাংলা ডেস্ক, লন্ডন, ইউকে