In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.
Love for All, Hatred for None.
গত ১১ ও ১২ অক্টোবর, ২০০৯ মজলিস খোদ্দামুল আহমদীয়া জাপানের ২৮তম বার্ষিক ইজতেমা ফুজি পাহাড়ের পাদদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একদিন আগেই খোদ্দাম ও তিফলরা ইজতেমা গাহে সমবেত হন এবং পরের দিন বাজামাত তাহাজ্জুদ নামাযের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম আরম্ভ হয় কিন্তু পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় সকাল ৯.৪৫ মিনিটে। এরপর জাপান জামাতের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এবং মিশনারী ইনচার্জ মোকারম আনিস আহমদ নাদিম সাহেব তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে হযরত মসীহ্ মওউদ (আ.)-এর আবির্ভাবের উদ্দেশ্য বিশদভাবে বর্ণনা করেন। বর্তমান যুগে ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের দায়িত্বের প্রতিও তিনি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন। তিনি বিশেষভাবে যুবকদেরকে ইসলাম প্রচারের কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া জাপানের প্রতিটি নাগরিকের কাছে ইসলামের বাণী পৌঁছে দেয়ার জন্যও সবার প্রতি ঔদ্বাত্ত আহবান জানান।
মোহতরম প্রেসিডেন্ট সাহেব. তাঁর বক্তব্যে জাপানী ভাষায় প্রকাশিত ‘আন্ নূর’ প্রত্রিকা প্রকাশ হবার সুসংবাদও প্রদান করেন। তিনি জামাতের আপামর সদস্যকে এই পত্রিকায় লেখা পাঠিয়ে পত্রিকা প্রকাশনার কাজে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
দু’দিনই বিভিন্ন সময়ে খোদ্দাম ও তিফলদের মাঝে বিভিন্ন ধর্মীয় ও খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ইজতেমার সময় মজলিস খোদ্দামুল আহমদীয়া জাপানের ‘শূরা’ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম দিন রাত ১১টা পর্যন্ত শূরার কার্যক্রম চলতে থাকে বলে জানা গেছে।
শেষ দিন বিভিন্ন কার্যক্রম শেষে জনাব ফারহান আহমদ সাহেবের তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাপনী অধিবেশন আরম্ভ হয়। এরপর পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান হয় আর বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করেন ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট, মোহতরম আনিস আহমদ নাদিম সাহেব। এরপর মেয়াদান্তে বিদায়ী সদর মোকাররম জাফর আহমদ জাফর সাহেবকে আমেলার সহকর্মীগণ বিদায় জানান এবং বিভিন্ন উপহার প্রদান করেন। সবশেষে দোয়ার মাধ্যমে এই আধ্যাত্মিক মিলন মেলা অর্থাৎ ইজতেমা সমাপ্ত হয়।
প্রাপ্ত সুত্রঃ কেন্দ্রীয় বাংলা ডেস্ক, লন্ডন, ইউকে