In the Name of Allah, The Most Gracious, Ever Merciful.
Love for All, Hatred for None.
হিউম্যানিটি ফার্ষ্ট-আইভরিকোষ্ট, আর্তমানবতার প্রেরণায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সৃষ্টিসেবার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করছে। এক্ষেত্রে একটি বড় উদ্যোগ হচ্ছে হিউম্যানিটি ফার্ষ্ট এর বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির স্থাপন। গত ১৮ই এপ্রিল, ২০০৯ আবিঙ্গো অঞ্চলের ক্রেগবে নামী প্রত্যন্ত এক গ্রামে বিনামূল্যে একটি চিকিৎসা শিবির স্থাপন করা হয়। ডা: নিযাম উদ্দিন বাধান সাহেব এবং চেয়ারম্যান হিউম্যানিটি ফার্ষ্ট, আইভরিকোষ্ট ১৭ই এপ্রিল সন্ধায় পুরো টীম নিয়ে সেই গ্রামে পৌঁছেন।
১৮ই এপ্রিল সকাল ৮.৩০টায় শিবিরের উদ্বোধন করা হয় এ সময় গ্রামের চীফ ছাড়াও ক্রেগবে’র ভাইস গভর্ণরও উপস্থিত ছিলেন।
এদিন মোট ৪৫০জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ-পথ্য প্রদান করা হয়। এদের মাঝে অনেককে আবার স্যালাইনও প্রদান করা হয় বলে জানা গেছে।
বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ক্রেগবে গ্রামের সম্মাণিত চীফ এবং ভাইস গভর্ণর মহোদয় হিউম্যানিটি ফার্ষ্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এবং ভবিষ্যতে দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের সেবার প্রেরণা সমুন্নত রাখার জন্য হিউম্যানিটি ফার্ষ্টের প্রতি ঔদ্বাত্ত আহবান জানান।
কেন্দ্রীয় ইন্ডিয়া ডেস্ক থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট মোতাবেক গত ৮ থেকে ১০ই মে, ২০০৯ তারিখে মজলিস খোদ্দামুল আহ্মদীয়া উড়িস্যা’র আঞ্চলিক ইজতেমা অত্যন্ত সফলতার সাথে ‘কেরেঙ্গ’এ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, আহাদনামা এবং নযম পাঠের মধ্যদিয়ে প্রাদেশিক আমীর সাহেবের সভাপতিত্বে ইজতেমার উদ্বোধনী অধিবেশন আরম্ভ হয়। অনুষ্ঠান শেষে খোদ্দাম ও আতফালদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও খেলাধুলা প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
১০ই মে মাগরিব ও ইশার নামাযান্তে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল-সদর, মজলিস খোদ্দামুল আহ্মদীয়া ভারতের সভাপতিত্বে ইজতেমার সমাপনি অধিবেশ আরম্ভ হয়। সদর সাহেবের ভাষণের পর বিভিন্ন বিষয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী খোদ্দাম ও আতফালের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, বার্ষিক কর্মকান্ড পরিচালনার দিক থেকে এবছর প্রথম স্থান অধিকার করে মজলিস খোদ্দামুল আহ্মদীয়া, কেরেঙ্গ।
উক্ত ইজতেমায় উড়িস্যার ২২টি মজলিস হতে ৩৮০জন খোদ্দাম ও আতফাল অংশ গ্রহণ করেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
আল্লাহ্ তা’লার অপার কৃপায় গত ১৪ই মার্চ জামাতে আহ্মদীয়া চেন্নাই, তামিলনাড়ু, সিরাতুন্নবী (সা.) জলসা করার সৌভাগ্য লাভ করেছে। তামিলনাড়ুর উত্তরাঞ্চলের আঞ্চলিক আমীর মোহতরম বাশারত আহমদ সাহেব জলসায় সভাপতিত্ব করেন। সভাপতি সাহেবের বক্তৃতা ছাড়াও জলসায় আরো তিনটি বক্তৃতা প্রদান করা হয় এর বিষয়বস্তু ছিল: ‘রহমাতুল্লিল আলামীন হিসেবে মহানবী (সা.)-এর আবির্ভাব’, ‘আখেরী যুগ সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর বিভিন্ন ভবিষ্যদ্বাণী’ এবং ‘খতমে নবুয়তের তাৎপর্য’।
উক্ত জলসায় দু’শতাধিক আহ্মদী নর-নারী ছাড়াও ৫০জন অ-আহ্মদী বন্ধু যোগদান করেন বলে জানা গেছে।
গত ২১শে জুন, ২০০৯ জামাতে আহ্মদীয়া তুরস্কের দ্বিতীয় বার্ষিক জলসা ইস্তাম্বুলের ‘ফ্যাশন কনফারেন্স এন্ড এক্সজিবিশন সেন্টারে’ অত্যন্ত সফলতার সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই জলসায় ব্যপকভাবে অ-আহ্মদী বন্ধুদের নিমন্ত্রন জানানো হয় এবং তারা অত্যন্ত উৎসাহের সাথে জলসায় যোগদান করেন। বিশ্ব জামাতে আহ্মদীয়ার ইমাম হযরত মির্যা মসরূর আহমদ, খলীফাতুল মসীহ্ আল্ খামেস (আই.) জলসায় যোগদানকারীদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত বিশেষ বাণীতে নামাযের গুরুত্বের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, একমাত্র নামাযের মাধ্যমেই বান্দা খোদার সাথে দৃঢ় সম্পর্ক বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে। নামায ছাড়া জলসা এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানাদী মূল্যহীন। আপনার সবাই নামায প্রতিষ্ঠার প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টি দিন।
এই জলসায় বিভিন্ন ধর্মীয় ও জ্ঞানগম্ভীর বক্তৃতা প্রদান করা হয়। এই জলসায় যোগদানের জন্য টার্কিশ ডেস্কের মওলানা জালাল শামস এবং মোহতরামা আমিনা সাহী সাহেবা আর অষ্ট্রিয়া থেকে মওলানা মুনির মনোয়ার সাহেব ইস্তাম্বুল গমন করেন। এই তিনজন জলসায় জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেন বলেও সূত্র জানিয়েছে।
গত ১০ই মে, ২০০৯ তারিখ K-Donna নামক একটি উম্মুক্ত পার্কে জামাতে আহ্মদীয়া টোবাগো দরিদ্র শিশুদের সাথে একটি দিন কাটনোর আয়োজন করে। প্রতিবছরই এই দিন উদযাপন করা হয়ে থাকে।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হিউম্যানিটি ফার্ষ্ট, টোবাগো। বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির সাথে যুক্ত প্রায় দু’শতাধিক এতিম ও দুস্থ শিশুর অংশ গ্রহণে এই আনন্দমুখর অনুষ্ঠানটি দিনব্যাপী চলতে থাকে। শিশুদের পার্কে নিয়ে আসা এবং যথাস্থানে পৌঁছে দেয়া ছাড়াও তাদের জন্য সুস্বাদু খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। দিন শেষে মোহতরম আমীর সাহেব শিশুদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, ইসলাম শান্তি ও সাম্যের ধর্ম এখানে ধনী-দরিদ্রের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই।
প্রাপ্ত সুত্রঃ কেন্দ্রীয় বাংলা ডেস্ক, লন্ডন, ইউকে